২৭শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

Table of Contents

রাউজানের রোকসানা বেগম ১২ বৎসর বয়সের ছেলে সন্তানকে নিয়ে দুঃবিসহ জীবন যাপন

রাউজানের হলদিয়া ইউনিয়নের বৃন্দ্বাবনপুর এলাকায় স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা রোকসানা বেগম ও ১২ বৎসর বয়সের ছেলে সন্ত্রান নুরনবী পেছনে জরার্জিন ঘর

শফিউল আলম, রাউজান:: রাউজান উপজেলার ১নং হলদিয়া ইউনিয়নের বৃন্দ্বাবনপুর এলাকায় স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা রোকসানা বেগম তার ১২ বৎসর বয়সের ছেলে সন্তান নুর নবীকে নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে জীবন যাপন করছেন । স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা রোকসানা বেগম রাউজান পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের শরীফ পাড়া এলাকার মৃত আবদুল ছোবাহানের কন্যা ।

গত ২০ বৎসর পুর্বে নোয়াখালী জেলার দিনমজুর আবদুল বাতেনের সাথে রোকসানা বেগমের বিয়ে হয় । বিয়ের পর রোকসানা বেগমকে নিয়ে তার স্বামী হলদিয়া ইউনিয়নের বৃন্দ্বাবনপুর এলাকায় হামিদ নামের এক ব্যক্তি থেকে ১০ শতক সরকারী খাসঁ জমি দখল ১৯ হাজার টাকা দিয়ে নিয়ে বসতি গড়ে তোলেন। রোকসানা বেগমের স্বামী আবদুল বাতেন হলদিয়া ইউনিয়নের বৃন্দ্বাবনপুর এলাকায় দিনমজুরের কাজ করে রোকসানা বেগমকে নিয়ে সুখে শান্তিÍতে দিনযাপন করে।

বিয়ের ৭ বৎসর পর রোকসানার এক ছেলে সন্তান জম্মগ্রহন করেন । রোকসানা বেগমের ছেলে সন্তান নু নবী বর্তমান বয়স ১২ বৎসর । ১২ বৎসর বয়সের নুর নবী বৃকবানপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ ম শ্রেণীতে লেখাপড়া করছে ।

স্বামী পরিত্যক্ত রোকসা বেগম বলেন, স্বামী আবদুল বাতেন এলাকায় দিনমজুরের কাজ করে স্বামী স্ত্রী দুজনেই ছেলে সন্তান নুর নবীকে নিয়ে সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করে। বৃন্দ্বাবনপুর এলাকার ইটের ভাটার মালিক আবদুল কাদের নোয়াখালী এলাকার এক ব্যক্তির কাছে পাওনা টাকার জামিন হয় আবদুল বাতেন। ইটের ভাটার মালিক আবদুল কাদের তার পাওনা টাকা না পাওয়ায় দিনমজুর আবদুল বাতেনকে টাকার জন্য চাপ দেয় ।

গত ৭ বৎসর পুর্বে আবদুল বাতেন পালিয়ে যায় । আবদুল বাতেন কোথায় রয়েছে তা রোকসানা বেগম জানেনা বলে জানান । রোকসানা বেগমের স্বামী আবদুল বাতেন নিরুদ্দেশ হওয়ার পর ােরকসানা বেগম এলাকার বাসিন্দ্বারে ঘরে ঘরে গিয়ে গৃহকর্মীর কাজ করে তার ছেলে সন্তান নুর নবীকে নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে জরার্জিন ঘরে জীবন যাপন করছেন । রোকসানা বেগমের স্বামী আবদুল বাতেন নিরুদ্দেশ হলে ও রোকসানা বেগম গৃহকর্মীর কাজ করে তার ছেলে সন্তানকে স্কুলে লেখাপড়া করাচ্ছেন । রোকসানা বেগম আরো বলেন, কয়েকদপে মেম্বার শাহাজান তাকে চাউল, দিয়ে সহায়তা করে।

এছাড়া সাহাবুউদ্দিন চৌধুরীর সাবু সহায়তা করে। রোকসানা বেগম আরো বলেন, তার দরিদ্র ভাই খোরশেদ আলম মাঝে মধ্যে সহায়তা করে । রোকসানা বেগম তার একমাত্র সন্তান নুর নবীকে লেখাপড়া শিখিয়ে আর্দর্শ মানুষ হিসাবে গড়ে তোলতে চায় ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts