রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০১:৪১ অপরাহ্ন

নোটিশ :
**জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ ॥ সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩ ॥ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেবা-১০৯ ॥ দুদক-১০৬ ॥ **পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম জেলা)- ০১৩২০-১০৭৪০০ ॥ চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭- ০১৭৭৭-৭১০৭০০ ॥ রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-০১৭৩৩-১৪১৮৪৩  ॥ রাউজান থানার ওসি-০১৩২০-১০৭৭০৪ ॥ সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল)-০১৩২০-১০৭৪৭১ ॥ রাউজান ফায়ার সার্ভিস-০১৮৮৬-৩৯৯২৭৫ ॥ রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস-০১৮৬০-৫৬৫৬৭৫ ॥ হাটহাজারি ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪২৭ ॥ কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪৩৬ ॥ রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা-০১৭৫১-৮৯৮৮২২ ॥ চট্টগ্রাম পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২-০১৭৬৯-৪০০০১৯ ॥ **মাদক-যৌতুক-ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ’কে না বুলন **গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান **আপনার ছেলে-মেয়েকে স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠান **পাখি শিকার নিজে করবেন না অন্যকে করতে দিবেন না **মাদক মুক্ত সোনার বাংলা গড়ি **ইসলাম ধর্মের সবাই নামাজ পড়ি **হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নিজ ধর্ম পালন করুন **খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকুন। **বিহঙ্গ টিভিতে যোগাযোগর ঠিকানা: ফোন: ০১৫৫৯-৬৩৩০৮০, ই-মেইল: newsbihongotv.com, (সবার জন্য বিহঙ্গ)
সংবাদ শিরোনাম:
চোরাবালিতে আটকা পড়ে রাউজানের যুবকের মৃত্যু জেলা পরিষদের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে-নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা হাটহাজারীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জন্মদিন পালিত দ্রব্যমুল্যের উর্দ্বগতিতে সিরাজগঞ্জে টুইষ্টিং শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন শাহজাদপুরে সাফ জয়ী ফুটবলার আঁখিকে সংবর্ধনা প্রদান সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ডা: রফিক চৌধুরী জুনিয়র হাই স্কুল পরিদর্শন করলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় মিলেছে সাংবাদিক লিটু দাসের উপর হামলাকারীদের সিরাজগঞ্জে আসন্ন শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে ডিও বিতরণ করলেন এমপি ডাঃ হাবিবে মিল্লাত ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিরাজগঞ্জ ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালিত

প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বহীনতার কারণে বিদ্যালয়ে অগ্নিকান্ড

ফারুক আহমেদ, ধর্মপাশা:: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অগ্নি কাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক লাইভ থেকে জানা জায়।

গতকাল (১০সেপ্টেম্বর) শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হলিদাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই অগ্নি কাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী সেলু মেশিনে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়েছেন।

জানা গেছে, ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের হলিদাকান্দা গ্রাম মধ্যপাড়ায় অবস্থিত হলিদাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৪১ জন মোট শিক্ষার্থী রয়েছে। তার মধ্যে প্রাক প্রাথমিকের শিক্ষার্থী হল ২০ জন ও প্রাথমিকে হল ২২১ জন শিক্ষার্থী। প্রধান শিক্ষক সহ এক জন পুরুষ ও ছয় জন মহিলা শিক্ষক মোট সাতজন শিক্ষক রয়েছেন।

এছাড়াও নতুন পুরাতন মিলে ওই বিদ্যালয়ের তিনটি পাকা ভবন রয়েছে। এরমধ্যে দুই তলা পাকা ভবন দুটি ও একতলা পাকা ভবন রয়েছে একটি। দুই তলা ভবনের দুটির মধ্যে একটি হচ্ছে নতুন ভবন, আরেকটি হচ্ছে পুরাতন ভবন। এক তলা পাকা ভবনটি হচ্ছে বিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম নির্মাণাধীন পাকা ভবন। তবে ওই বিদ্যালয়ের এক তলা পাকা ভবনেই অগ্নি কাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। কিন্তু কিভাবে এই অগ্নি কাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বা এই অগ্নি কাণ্ডের উৎস কি কেউ বলতে পারছেননা। ধারণা করা হচ্ছে যে, ইলেক্টিক শট সার্কিট বা বজ্রপাত হতে পারে এই অগ্নি কাণ্ডের উৎস।

তবে অভিযোগ ওঠেছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। প্রধান শিক্ষকের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই বিদ্যালয়ে অগ্নি কাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কারণ এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ দানের জন্য নবনির্মিত দুই তলা পাকা ভবন পেয়ে পুরাতন ভবন গুলোর প্রতি প্রধান শিক্ষকের কোনো খেয়াল নেই যেন ওই ভবনের প্রতি তার কদর কমে গেছে। তাই ওই ভবনের ছিলোনা কোনো তালা ব্যবস্থা। তাই স্থানীয় এলাকাবাসী যেনতেন ভাবে ওই ভবনের ক্লাস রুম গুলো ব্যবহার করতেন। ক্লাস রুম গুলোতে গবাদি পশুসহ বিভিন্ন ধরণের খড়কুটা রাখতেন। প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ের এই হাল অবস্থার কথা অনেকবার বললেও তিনি কোনো কর্ণপাত করেননি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে জানা গেছে, ওই ভবনটিতে বিভিন্ন ধরণের খড়কুটা সহ পাট ও পাটাশোলা রাখা ছিলো। কারও কারও সম্ভবত কেউ রাতে বৃষ্টির কেউ এই ভবনে অবস্থান করে আর বিড়ি বা সিগারেটের আগুন ফেলে যায় আর তা থেকে এই আগুন লাগে। কে এগুলো রেখে কেউ বলতে পারেননি। তবে এই আগুনে আশপাশের প্রতিবেশী বাড়ি গুলোর কোনো জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

এছাড়াও গতকাল (১০সেপ্টেম্বর) শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আবুল কাশেম ও স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহীম মোবাইল নম্বরে কল করে ওই বিদ্যালয়ে অগ্নি কাণ্ডের খবরটি জানান। তারা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলেন, প্রধান শিক্ষকের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই বিদ্যালয়ে অগ্নি কাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও বিদ্যালয় ক্ষুদ্র মেরামত ও স্লিপ ভাউচার কাজের জন্য যে অর্থ বরাদ্ধ পেয়েছে তার কোনো কাজ এখনো পর্যন্ত করা হয়নি। কেন কাজ করা হলো না এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্ট কামনা করেছি।

বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক তামান্না আক্তার শাপলার বলেন, শুক্র ও শনিবার ছোটি থাকায় এব্যাপারে এই অগ্নি কাণ্ডের ব্যাপারে কিছু বলতে পারতেছি না। আজ বিদ্যালয়ে এসে জান্তে পারলাম। আর আমরা নতুন ভবন পাওয়াই পুরাতন ভবনটি আর ব্যবহার করছি না। তাই এই ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে। ওই ক্লাস রুমে যে ব্রেঞ্চ গুলো ছিলো সে গুলো পুড়েছে। এই ক্ষতির টাকা পরিমাণ আমি এখন বলতে পারছিনা। আর হেড ম্যাডাম ছোটিতে রয়েছেন। তবে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করবে কিনা এব্যাপারে বলেন যে, হেড ম্যাডামের সাথে কথা না বলে কিছু করতে পারছিনা। প্রধান শিক্ষকের মোবাইলে একাধিকবার কল করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানবেন্দ্র দাস বলেন, হলিদাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অগ্নি কাণ্ডের খবর আমি পেয়েছি ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এ খবর জানিয়েছি। আমি বিদ্যালয় পরিদর্শনে যাবো।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রহমান বলেন, ধর্মপাশায় কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অগ্নি কাণ্ডের খবর কেউ আমাকে জানাইনি। আপনার মাধ্যমেই জান্তে পারলাম। ঠিক আছে আমি খুঁজনিয়ে দেখবো। যদি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোনো গাফিলতির কারণে এমনটি হয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই নিউজটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত,© এই সাইডের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি  
Design & Developed BY ThemeNeed.com