বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৫:১০ অপরাহ্ন

নোটিশ :
**জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ ॥ সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩ ॥ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেবা-১০৯ ॥ দুদক-১০৬ ॥ **পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম জেলা)- ০১৩২০-১০৭৪০০ ॥ চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭- ০১৭৭৭-৭১০৭০০ ॥ রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-০১৭৩৩-১৪১৮৪৩  ॥ রাউজান থানার ওসি-০১৩২০-১০৭৭০৪ ॥ সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল)-০১৩২০-১০৭৪৭১ ॥ রাউজান ফায়ার সার্ভিস-০১৮৮৬-৩৯৯২৭৫ ॥ রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস-০১৮৬০-৫৬৫৬৭৫ ॥ হাটহাজারি ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪২৭ ॥ কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪৩৬ ॥ রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা-০১৭৫১-৮৯৮৮২২ ॥ চট্টগ্রাম পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২-০১৭৬৯-৪০০০১৯ ॥ **মাদক-যৌতুক-ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ’কে না বুলন **গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান **আপনার ছেলে-মেয়েকে স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠান **পাখি শিকার নিজে করবেন না অন্যকে করতে দিবেন না **মাদক মুক্ত সোনার বাংলা গড়ি **ইসলাম ধর্মের সবাই নামাজ পড়ি **হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নিজ ধর্ম পালন করুন **খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকুন। **বিহঙ্গ টিভিতে যোগাযোগর ঠিকানা: ফোন: ০১৫৫৯-৬৩৩০৮০, ই-মেইল: newsbihongotv.com, (সবার জন্য বিহঙ্গ)

শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মকর্তার বিয়ে নিয়ে নাটকীয়তা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:: খাগড়াছড়িতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বেধড়ক চড়-থাপ্পড় ও কিল-ঘুষিতে আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার(১৬ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঘটে যাওয়া নাটকীয় ঘটনাটি ঘটে।

ঘটনার পরপরই আহত শিক্ষিকাকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত শিক্ষিকা মৌসুমী ত্রিপুরা(৪৪) খুদে গানরাজ খ্যাত কন্ঠশিল্পী পায়েল ত্রিপুরার মা। খাগড়াছড়ি সদরের মহালছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তিনি।

আর এই শিক্ষিকাকে পেটানোর দায়ে অভিযুক্ত সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নাম সুভায়ন খীসা। বর্তমানে তিনি খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় কর্মরত আছেন।

শিক্ষিকা মৌসুমী ত্রিপুরার দাবী-সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সুভায়ন খীসা তার স্বামী। তবে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন না তিনি। বিয়ে করেও এখন তা অস্বীকার করছেন।

তিনি বলেন, তার কর্মরত বিদ্যালয়ের গেইটটি দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙা রয়েছে। আর এই ভাঙা গেইট মেরামতের আবেদন নিয়ে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সুভায়ন খীসার কার্যালয়ে যান তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে তার অফিস কক্ষে বসে থাকলেও এ বিষয়ে কোনো কর্ণপাত করেননি সুভায়ন খীসা। পরে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য শিক্ষা কর্মকর্তার হাত ধরে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন শিক্ষিকা মৌসুমী ত্রিপুরা। হাত ধরার সাথে সাথেই ক্ষুদ্ধ হয়ে মৌসুমী ত্রিপুরাকে বেধড়ক চড়-থাপ্পড় ও কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন সুভায়ন খীসা। পরে শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মচারীরা তাকে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মিথিলা বড়ুয়া বলেন, মৌসুমী ত্রিপুরার বা চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেখানে দুটি সেলাই দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সুভায়ন খীসা বলেন, মৌসুমী ত্রিপুরা আমার অফিসের ভেতরে ঢুকে আমার গায়ে এসে পড়ছিলো। এ সময় তাকে অপেশাদার আচরণ করতে নিষেধ করলেও সে তা শোনেনি। পরে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কিতে দরজায় আঘাত পায় সে।

এদিকে বিয়ের প্রসঙ্গে মৌসুমী ত্রিপুরা বলেন, গত বছরের ২৫সেপ্টেম্বর নোটারী পাবলিকের সহায়তায় আদালতে বিয়ে করি আমরা। অথচ এখন আমাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না তিনি। অজুহাত দিচ্ছেন, আমার জাতীয় পরিচয়পত্র নাকি ভুয়া। গতকালও এ নিয়ে আমাকে ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন তিনি।

অন্যদিকে, মৌসুমী ত্রিপুরা তাকে নিজের স্বামী দাবি করলেও বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন সুভায়ন খীসা।

এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা মেহের ইয়াসমিন বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই নিউজটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত,© এই সাইডের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি  
Design & Developed BY ThemeNeed.com