বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন

নোটিশ :
**জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ ॥ সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩ ॥ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেবা-১০৯ ॥ দুদক-১০৬ ॥ **পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম জেলা)- ০১৩২০-১০৭৪০০ ॥ চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭- ০১৭৭৭-৭১০৭০০ ॥ রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-০১৭৩৩-১৪১৮৪৩  ॥ রাউজান থানার ওসি-০১৩২০-১০৭৭০৪ ॥ সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল)-০১৩২০-১০৭৪৭১ ॥ রাউজান ফায়ার সার্ভিস-০১৮৮৬-৩৯৯২৭৫ ॥ রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস-০১৮৬০-৫৬৫৬৭৫ ॥ হাটহাজারি ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪২৭ ॥ কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪৩৬ ॥ রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা-০১৭৫১-৮৯৮৮২২ ॥ চট্টগ্রাম পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২-০১৭৬৯-৪০০০১৯ ॥ **মাদক-যৌতুক-ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ’কে না বুলন **গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান **আপনার ছেলে-মেয়েকে স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠান **পাখি শিকার নিজে করবেন না অন্যকে করতে দিবেন না **মাদক মুক্ত সোনার বাংলা গড়ি **ইসলাম ধর্মের সবাই নামাজ পড়ি **হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নিজ ধর্ম পালন করুন **খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকুন। **বিহঙ্গ টিভিতে যোগাযোগর ঠিকানা: ফোন: ০১৫৫৯-৬৩৩০৮০, ই-মেইল: newsbihongotv.com, (সবার জন্য বিহঙ্গ)

পটুয়াখালীতে বিএনপির চলমান বিক্ষোভ সমাবেশে যুবলীগ-ছাত্রলীগের হামলায় আহত-২০

মু,হেলাল আহম্মেদ(রিপন), পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:: বিএনপির চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে যুবলীগ-ছাত্রলীগের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার ২৬ মে বেলা ১১টার সময় শহরের কলেজ রোডস্থ বনানী এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, বিএনপির দাবি তাদের ১৫ থেকে ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানায়, বিএনপির চেয়াপারর্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির সমাবেশ ছিল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায়। এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ার।

জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব স্নেহাংশ সরকার কুট্টির বক্তৃতা চলাকালীন ছাত্রদল-যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের কমবেশি ২০ জন আহত হন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মজিবুর রহমান সরোয়ারের উপস্থিতিতে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত সভা চলছিল। আমার বক্তৃতার সময় আওয়ামীলীগের যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মীরা অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে আমাদের ১৫ থেকে ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

তিনি এসময় আরও বলেন, এভাবে তারা প্রতিটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালায়। এতে আমাদের কর্মসূচি থেমে থাকবে না। বরং আন্দোলনের মাধ্যমে এই অবৈধ সরকারের পতন হবে এটাই নিশ্চিত বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী আলমগীর বলেন, ‘আমাদের দলের কোনো নেতাকর্মী বিএনপির সমাবেশে হামলা করেছে বলে আমার জানা নেই। তবে, বিএনপির কমিটি নিয়ে তাদের বিবাদমান দুই গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছে দীর্ঘদিন যাবৎ। হয়তো তাদের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। যার দায়ভার চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে আওয়ামীলীগের উপর। নিজের দায় অন্য দলের ঘাড়ে চাপানো রাজনীতি নয়। তাই বিএনপির এ ধরণের মিথ্যাচার বন্ধ করার জন্য দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানাচ্ছি’।

এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান দৈনিক বরিশাল সমাচার ও বাংলাদেশ কন্ঠকে জানান, এ ধরণের কোনো ঘটনা ওখানে ঘটেনি।তবে পরিস্থিতি আগে। যেমন স্বাভাবিক ছিল, তেমনই শান্ত আছে। তাছাড়া বিএনপি সভা করলে তো অনুমতি নিতো। তারা তো সমাবেশ করার কোন অনুমতিও নেয়নি বলে তিনি জানান।

এই নিউজটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত,© এই সাইডের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি  
Design & Developed BY ThemeNeed.com