বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৬:০৮ অপরাহ্ন

নোটিশ :
**জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ ॥ সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩ ॥ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেবা-১০৯ ॥ দুদক-১০৬ ॥ **পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম জেলা)- ০১৩২০-১০৭৪০০ ॥ চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭- ০১৭৭৭-৭১০৭০০ ॥ রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-০১৭৩৩-১৪১৮৪৩  ॥ রাউজান থানার ওসি-০১৩২০-১০৭৭০৪ ॥ সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল)-০১৩২০-১০৭৪৭১ ॥ রাউজান ফায়ার সার্ভিস-০১৮৮৬-৩৯৯২৭৫ ॥ রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস-০১৮৬০-৫৬৫৬৭৫ ॥ হাটহাজারি ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪২৭ ॥ কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪৩৬ ॥ রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা-০১৭৫১-৮৯৮৮২২ ॥ চট্টগ্রাম পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২-০১৭৬৯-৪০০০১৯ ॥ **মাদক-যৌতুক-ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ’কে না বুলন **গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান **আপনার ছেলে-মেয়েকে স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠান **পাখি শিকার নিজে করবেন না অন্যকে করতে দিবেন না **মাদক মুক্ত সোনার বাংলা গড়ি **ইসলাম ধর্মের সবাই নামাজ পড়ি **হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নিজ ধর্ম পালন করুন **খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকুন। **বিহঙ্গ টিভিতে যোগাযোগর ঠিকানা: ফোন: ০১৫৫৯-৬৩৩০৮০, ই-মেইল: newsbihongotv.com, (সবার জন্য বিহঙ্গ)

ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নে মামলা, শিক্ষকের অস্বীকৃতি

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ খাগড়াছড়ির রামগড়ে পঞ্চম শ্রেণী পড়ুয়া এক ছাত্রী শিক্ষকের যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে শুক্রবার রাতে মামলা দায়ের হলেও অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

অভিযুক্ত মো. বেলায়েত হোসেন(৪২) ইউনিয়নের লামকুপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ১নং রামগড় ইউনিয়নের থানাচন্দ্র পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, ভুক্তভোগী একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১২ মে) বিদ্যালয় ছুটির পর বেলা সাড়ে ৩টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষক বেলায়েত হোসেন বাড়ির কাজ দেখানোর কথা বলে ভুক্তভোগী ছাত্রীসহ অপর এক ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। পরে অপর ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে বসিয়ে রেখে ভুক্তভোগীকে বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলের পাশে নিয়ে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন করে। পরে ছাত্রীটির হাতে ১০০টাকা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। বাড়ি যাবার পর ভুক্তভোগী বিষয়টি তার মাকে জানায়। শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগীর পরিবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের নেতৃবৃন্দের সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে রামগড় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ইন্দ্রাণী দেবী বলেন, স্কুল ছুটির পর বাসায় পৌঁছামাত্র সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমান তাকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি অবগত করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এমন কিছু ঘটে থাকলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে অভিযুক্ত শিক্ষক বেলায়েত হোসেন বলেন, বিদ্যালয় ছাড়া আশপাশ এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় কিছু ছেলেরা স্কুলে মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়ার চেষ্টা করত। এক বহিরাগত ছেলের আনাগোনা ছিল, আড্ডা ছিলো। ওকে বাঁধা দেয়ায় এই ছাত্রীকে দিয়ে মিথ্যে নাটক সাজিয়ে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোঃ শামসুজ্জামান বলেন, অভিযোগটি গুরুতর হওয়াতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা রজু করা হয়েছে।

এই নিউজটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত,© এই সাইডের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি  
Design & Developed BY ThemeNeed.com