বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৪:১০ অপরাহ্ন

নোটিশ :
**জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ ॥ সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩ ॥ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেবা-১০৯ ॥ দুদক-১০৬ ॥ **পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম জেলা)- ০১৩২০-১০৭৪০০ ॥ চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭- ০১৭৭৭-৭১০৭০০ ॥ রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-০১৭৩৩-১৪১৮৪৩  ॥ রাউজান থানার ওসি-০১৩২০-১০৭৭০৪ ॥ সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল)-০১৩২০-১০৭৪৭১ ॥ রাউজান ফায়ার সার্ভিস-০১৮৮৬-৩৯৯২৭৫ ॥ রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস-০১৮৬০-৫৬৫৬৭৫ ॥ হাটহাজারি ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪২৭ ॥ কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪৩৬ ॥ রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা-০১৭৫১-৮৯৮৮২২ ॥ চট্টগ্রাম পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২-০১৭৬৯-৪০০০১৯ ॥ **মাদক-যৌতুক-ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ’কে না বুলন **গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান **আপনার ছেলে-মেয়েকে স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠান **পাখি শিকার নিজে করবেন না অন্যকে করতে দিবেন না **মাদক মুক্ত সোনার বাংলা গড়ি **ইসলাম ধর্মের সবাই নামাজ পড়ি **হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নিজ ধর্ম পালন করুন **খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকুন। **বিহঙ্গ টিভিতে যোগাযোগর ঠিকানা: ফোন: ০১৫৫৯-৬৩৩০৮০, ই-মেইল: newsbihongotv.com, (সবার জন্য বিহঙ্গ)

পিতার নিকট অধিকারের দাবিতে ৪মেয়ের সংবাদ সম্মেলন

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালার চোংড়াছড়িতে সৎ মায়ের কুপরামর্শে পিতা কর্তৃক নির্যাতন, হয়রানি, মামলা ও ঘর থেকে বের করে দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে চার কন্যা।

বুধবার(১১ মে) সকাল ১১টায় উপজেলার হোটেল ইউনিটি কনফারেন্স রুমে এ সংবাদ সম্মেলন করে
পিতা সোহরাব হোসেন সওদাগরের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলেন তারই কন্যা মারুফা, খাদিজা, জেসমিন ও সুমাইয়া আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে
উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের চোংড়াছড়ি এলাকার মৃত মোকসেদ আলী হাওলাদারের পুত্র পিতা সোহরাব হোসেন সওদাগরের বিরুদ্ধে
দ্বিতীয় কন্যা খাদিজা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমাদের মা পরিতন নেছা গত ১৯বছর পূর্বে ইন্তেকাল করেন৷ মায়ের মৃত্যুর এক মাস পর আমার পিতা সোহরাব হোসেন সওদাগর আমার আপন খালা ফাতিমা আক্তারকে বিয়ে করেন৷ তার গর্ভে দুই পুত্র সন্তান জন্ম নেয়৷ দুই পুত্র সন্তান জন্ম নেয়ার পর থেকেই সৎ মায়ের কুপরামর্শে পিতা আমাদেরকে অবহেলা করতে শুরু করেন৷ আমার বড়বোন মারুফা আক্তারের বিয়ের কিছুদিন পর আমার সৎমায়ের সেলাই মেশিন ধরাকে কেন্দ্র করে আমাকে রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে এবং আমার বইখাতা পুড়িয়ে দেয়।

এসময় আমি আমাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী চোংড়াছড়ি আর্মি ক্যাম্পে আশ্রয় নেই৷ যা সামাজের গণ্যমান্যরা অবগত। গত ৮বছর পূর্বে আমার পিতা আমাদের তিন বোনকে ঘর থেকে বের করে দেয়। পরবর্তীতে আমার বড়বোন মারুফা আক্তার ও তার স্বামী ফজলুল করিম আমাদেরকে আশ্রয় দেয় এবং আমাদেরকে পড়ালেখার যাবতীয় খরচ বহন করে।
সম্প্রতি আমি খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ হতে স্নাতকোত্তর শেষ করেছি। আমার ছোটবোন জেসমিন আক্তার দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রি কলেজ হতে স্নাতক পাশ করেছে। পাশাপাশি আমার ছোটবোন সুমাইয়া আক্তার দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রি কলেজ হতে এইচএসসি পাশ করেছে। আমার ছোটবোন জেসমিন আক্তারকে গত ৭বছর আগে আমার পিতা রড দিয়ে মারধর করে। এসময় ওর একটি হাত বিকলাঙ্গ হয়ে যায়। পাশাপাশি এককানে কম শুনতে শুরু করে। আমার পিতা বিভিন্ন সময়ে আমাদের চরিত্র নিয়ে সমাজে কুৎসা রটিয়ে আমাদের বিবাহ ভেঙে দেয়। সম্প্রতি চোংড়াছড়ি আর্মি ক্যাম্প সংলগ্ন একটি খাস ভুমিতে আমার বড়বোন মারুফা আক্তার ও ভগ্নিপতি ফজলুল করিম একটি ঘর নির্মাণ করতে গেলে আমার পিতা তার দ্বিতীয় সংসারের স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে আমার ভগ্নিপতিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যখম করে।

আমার পিতা আমার সৎ মায়ের কুপরামর্শে আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নির্যাতন, হয়রানি, মামলার পাশাপাশি পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করছে। আমরা প্রাপ্ত বয়স্ক তিন বোন বর্তমানে নিরুপায়। আমাদের পিতা আমাদেরকে সন্তান হিসেবে স্বীকারও করে না। আমরা আমাদের অধিকার চাই। এ বিষয়ে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন ব্যক্তিদের সুদৃষ্টি কামনা করছি বলে সংবাদ সম্মেলনে আকুতি চার মেয়ের।

এই নিউজটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত,© এই সাইডের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি  
Design & Developed BY ThemeNeed.com