বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৬:১৬ অপরাহ্ন

নোটিশ :
**জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ ॥ সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩ ॥ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেবা-১০৯ ॥ দুদক-১০৬ ॥ **পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম জেলা)- ০১৩২০-১০৭৪০০ ॥ চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭- ০১৭৭৭-৭১০৭০০ ॥ রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-০১৭৩৩-১৪১৮৪৩  ॥ রাউজান থানার ওসি-০১৩২০-১০৭৭০৪ ॥ সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল)-০১৩২০-১০৭৪৭১ ॥ রাউজান ফায়ার সার্ভিস-০১৮৮৬-৩৯৯২৭৫ ॥ রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস-০১৮৬০-৫৬৫৬৭৫ ॥ হাটহাজারি ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪২৭ ॥ কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪৩৬ ॥ রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা-০১৭৫১-৮৯৮৮২২ ॥ চট্টগ্রাম পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২-০১৭৬৯-৪০০০১৯ ॥ **মাদক-যৌতুক-ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ’কে না বুলন **গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান **আপনার ছেলে-মেয়েকে স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠান **পাখি শিকার নিজে করবেন না অন্যকে করতে দিবেন না **মাদক মুক্ত সোনার বাংলা গড়ি **ইসলাম ধর্মের সবাই নামাজ পড়ি **হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নিজ ধর্ম পালন করুন **খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকুন। **বিহঙ্গ টিভিতে যোগাযোগর ঠিকানা: ফোন: ০১৫৫৯-৬৩৩০৮০, ই-মেইল: newsbihongotv.com, (সবার জন্য বিহঙ্গ)

সিরাজগঞ্জে দুইটি মডেল মসজিদের উদ্বোধন করলেন প্রধান মন্ত্রী

আজিজুর রহমান মুন্না,সিরাজগঞ্জ:: সিরাজগঞ্জে দুইটি মডেল মসজিদ এর উদ্বোধন করলেন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখহাসিনা। সারাদেশের ন্যায় – মুজিববর্ষ উপলক্ষে, সিরাজগঞ্জে দুইটিসহ দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় দৃষ্টিনন্দন ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করছে সরকার। এরমধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৫০টি মডেল মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ১১ টায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এর মাধ্যমে ৫০টি মসজিদ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব মসজিদের মধ্যে সিরাজগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ (খান সাহেবের মাঠ) এর পাশে ও সদর উপজেলার সামনে অবস্থিত দুইটি মসজিদের উদ্বোধন করেছেন।

সিরাজগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ (খান সাহেবের মাঠ) এর পাশে অবস্থিত মসজিদের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম বিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মনির হোসেন এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মিজানুর রহমান, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ,বি,এম, হুমায়ুন কবীর,

সিরাজগঞ্জ ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোঃ ফারুক আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যাডঃ কে, এম হোসেন আলী হাসান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ সুর্য্য, অ্যাডভোকেট বীরমুক্তিযোদ্ধা বিমল কুমার, আলহাজ্ব ইসহাক আলী, ফিরোজ ভুইয়া, সাবেক এমপি সেলিনা বেগম স্বপ্না, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক প্রমুখ।

সিরাজগঞ্জের ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোঃ ফারুক আহমেদ জানান, জেলা পর্যায়ের মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদার মুক্তা কনষ্ট্রাকশনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ (খান সাহেবের মাঠ) এর পাশে ১৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে চারতলা বিশিষ্ট এই মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ ও সদর উপজেলার সামনে ১২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ (খান সাহেবের মাঠ) এর পাশের মডেল মসজিদে প্রতিদিন ১২’শ ও সদর উপজেলার সামনের মডেল মসজিদে ৮’শ মুসল্লি এক সাথে নামাজ আদায় করতে পারবে।

ইসলামি ফাউন্ডেশন সুত্রে জানা যায়, এটাই হচ্ছে বিশ্বে প্রথম কোনো সরকারের একই সময়ে এত বিপুলসংখ্যক মসজিদ নির্মাণের ঘটনা। এর মধ্য দিয়ে ইসলামকে পুরোপুরি জানার ফলে ধর্মান্ধতা, উগ্রতা ও জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা কমে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আলেম-ওলামারা।

আরব বিশ্বের মসজিদ কাম ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের আদলে এসব মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত সুবিশাল এসব মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে নারী ও পুরুষের আলাদা অজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি, গবেষণাকেন্দ্র, ইসলামিক বই বিক্রয়কেন্দ্র, কোরআন হেফজ বিভাগ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ, অটিজম কেন্দ্র, গণশিক্ষাকেন্দ্র ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থাকবে। ৫৬০টি মডেল মসজিদে সারাদেশে প্রতিদিন ৪ লাখ ৯৪ হাজার ২০০ জন পুরুষ ও ৩১ হাজার ৪০০ জন নারী একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

লাইব্রেরী সুবিধার আওতায় প্রতিদিন ৩৪ হাজার পাঠক এক সঙ্গে কোরআন ও ইসলামিক বই পড়তে পারবেন। ইসলামিক বিষয়ে গবেষণার সুযোগ থাকবে ৬ হাজার ৮০০ জনের। ৫৬ হাজার মুসল্লি সবসময় দোয়া, মোনাজাতসহ তসবিহ পড়তে পারবেন।

এছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা এবং গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা রাখা হয়েছে। ৪০ শতাংশ জায়গার ওপর তিন ক্যাটাগরিতে এই মসজিদগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ে চারতলা, উপজেলার জন্য তিনতলা এবং উপকূলীয় এলাকায় চারতলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতিকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

এই নিউজটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত,© এই সাইডের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি  
Design & Developed BY ThemeNeed.com