বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

নোটিশ :
**জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ ॥ সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩ ॥ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেবা-১০৯ ॥ দুদক-১০৬ ॥ **পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম জেলা)- ০১৩২০-১০৭৪০০ ॥ চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭- ০১৭৭৭-৭১০৭০০ ॥ রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-০১৭৩৩-১৪১৮৪৩  ॥ রাউজান থানার ওসি-০১৩২০-১০৭৭০৪ ॥ সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল)-০১৩২০-১০৭৪৭১ ॥ রাউজান ফায়ার সার্ভিস-০১৮৮৬-৩৯৯২৭৫ ॥ রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস-০১৮৬০-৫৬৫৬৭৫ ॥ হাটহাজারি ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪২৭ ॥ কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪৩৬ ॥ রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা-০১৭৫১-৮৯৮৮২২ ॥ চট্টগ্রাম পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২-০১৭৬৯-৪০০০১৯ ॥ **মাদক-যৌতুক-ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ’কে না বুলন **গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান **আপনার ছেলে-মেয়েকে স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠান **পাখি শিকার নিজে করবেন না অন্যকে করতে দিবেন না **মাদক মুক্ত সোনার বাংলা গড়ি **ইসলাম ধর্মের সবাই নামাজ পড়ি **হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নিজ ধর্ম পালন করুন **খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকুন। **বিহঙ্গ টিভিতে যোগাযোগর ঠিকানা: ফোন: ০১৫৫৯-৬৩৩০৮০, ই-মেইল: newsbihongotv.com, (সবার জন্য বিহঙ্গ)

বেনাপোলে ভারত ফেরত যাত্রীদের লক্ষ টাকার খাবার প্রদান

সোহাগ হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:: যশোরের বেনাপোলে বহুকাঙ্খিত চাহিদা পুরণ হতে চলেছে বাংলাদেশে প্রবেশে ভারতে আটকা পড়া বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রীদের। মহামারী করোনা ভাইরাস কারণে লকডাউনে কবলে পড়ে কয়েক হাজার পাসপোর্ট যাত্রী ভারতে আটকে পড়েছিল। কিছুদিন যাবত ভারতীয় বাংলাদেশের হাইকমিশনার ছাড়পত্র জটিলতা সহ নানা দুর্ভোগের কারণে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছিল বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রীরা। এমনকি বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসা করতে যাওয়া অনেক পাসপোর্ট যাত্রীর সে দেশে অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে হয়েছে। অনেক পাসপোর্ট যাত্রী ভিক্ষাবৃত্তি করেও জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করেছে সে দেশে। তারপরে নানা দুর্ভোগ পেরিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করার পর নতুন দুর্ভোগে পতিত হয়েছিল শতশত পাসপোর্ট যাত্রী। এক পর্যায়ে যশোরের জেলা প্রশাসক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সায়েমুজ্জামান ভারত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য সরকারি হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা পাসপোর্ট যাত্রীদের জন্য ৬ টন চাউল ও ভারত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের ইমিগ্রেশনের মধ্যে পানি, শুকনো খাবার ও ফল দিয়ে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য এক লাক টাকা বরাদ্দ দেয়। তাছাড়া সরকারি হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা যাত্রীদের কাঁচা বাজারের জন্য ধার্যকৃত প্রতিদিনের মাথাপিছু খরচের পরিমাণ ১৭০ টাকা থেকে ১২০ টাকা নির্ধারণ করেছেন। জেলা প্রশাসকের মহৎ উদ্যোগের খবর সরকারি হোম কোয়ারেন্টাইনে ছড়িয়ে পড়লে ও আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনের ভিতরে যাত্রীদের অভ্যর্থনা সময় পানি, শুকনো খাবার, ফল পেয়ে যাত্রীরা উৎফুল্লে ভাসছেন। অনেক যাত্রীদের মুখে শোনা গেছে এখন থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৪ দিন কেন? এক মাস থাকতেও তাদের আর আপত্তি নেই।

ভারত থেকে ফেরত পাসওয়ার্ড যাত্রীরা বলেন, ভারতে তিন মাস ধরে চিকিৎসা নিয়েছি। লকডাউনের কারণে দেশে ফিরতে পারিনি। এমনকি বাংলাদেশে প্রবেশের সাথে সাথে নিজ খরচে হোটেলে ১৪ দিনে থাকতে হবে। কিন্তু আমাদের কাছে কোন টাকা পয়সা অবশিষ্ট নেই, যে নিজ খরচে বাংলাদেশে এসে হোটেল ভাড়া দিয়ে, তিন বেলা হোটেলে খেয়ে ১৪ দিন কোরান্টাইনের থাকবো। এক পর্যায়ে ইমিগ্রেশন থেকে আমাদেরকে যশোর পিটিআই ট্রেনিং সেন্টারে কোয়ারান্টিনে পাঠান। সেখানে সরকারিভাবে থাকা ও খাবারের জন্য চাল দেয়া হচ্ছে। এটা আমাদের মত মানুষের জন্য খুবই সহায়ক হয়েছে। তা না হলে আমরা ও আমাদের মত চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরে আসা পাসপোর্ট যাত্রীরা হতাশায় আরো মারা যেত বলে তিনি জানান।

যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজি মোঃ সায়েমুজ্জামান বলেন, কোয়ারেন্টাইনে থাকা যাত্রীদের দুর্বিষহ জীবন যাপনের কথা জানার পরে, জেলা প্রশাসক নিজের ফান্ড থেকে পিটিআই হোমকরেন্টাইন ও ঝিকরগাছা লাউজানি গাজীর দরগা হোম কোয়ারান্টাইনে ৬ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছেন। তাছাড়া ভারত থেকে দেশে প্রবেশের পর পরই জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এসব টাকায় এক জন যাত্রীর জন্য ৭০ টাকা মূল্যের এক প্যাকেট খাবার দেয়া হচ্ছে। প্যাকেটে থাকছে এক বোতল বিশুদ্ধ খাবার পানি, ফল ও শুকনো খাবার। সোমবার ভারত থেকে ফেরত আসা ৬৮ পাসপোর্ট যাত্রী কে এসব বিশুদ্ধ পানি, ফল ও শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সরকারি কোয়ারেন্টাইনে থাকা যাত্রীদের প্রতিদিনের মাথাপিছু খরচের হার ও কমানো হয়েছে। যেখানে সরকারি হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা একজন পাসপোর্ট যাত্রীর নিকট থেকে আগে নেয়া হতো ১৭০ টাকা। সেই হার কমিয়ে করা হয়েছে ১২০ টাকা। এতে যাত্রীদের অনেক অংশই দুর্ভোগ কমেছে। এখন থেকে ভারত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে কোন আপত্তি নেই।

যশোরের জেলা প্রশাসক মোঃ তমিজুল ইসলাম খান বলেন, ভারত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের দুর্বিষহ জীবনযপনের বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছ থেকে জানার পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা যাত্রীদের খাবারের জন্য ৬ টন চাল দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া ভারত থেকে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট যাত্রীরা আসার সাথে সাথেই তাদেরকে বিশুদ্ধ খাবার পানি, শুকনো খাবার ও প্রদান করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

এই নিউজটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত,© এই সাইডের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি  
Design & Developed BY ThemeNeed.com