বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৬:২১ অপরাহ্ন

নোটিশ :
**জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ ॥ সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩ ॥ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেবা-১০৯ ॥ দুদক-১০৬ ॥ **পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম জেলা)- ০১৩২০-১০৭৪০০ ॥ চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭- ০১৭৭৭-৭১০৭০০ ॥ রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-০১৭৩৩-১৪১৮৪৩  ॥ রাউজান থানার ওসি-০১৩২০-১০৭৭০৪ ॥ সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল)-০১৩২০-১০৭৪৭১ ॥ রাউজান ফায়ার সার্ভিস-০১৮৮৬-৩৯৯২৭৫ ॥ রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস-০১৮৬০-৫৬৫৬৭৫ ॥ হাটহাজারি ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪২৭ ॥ কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস-০১৭৩০-০০২৪৩৬ ॥ রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা-০১৭৫১-৮৯৮৮২২ ॥ চট্টগ্রাম পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২-০১৭৬৯-৪০০০১৯ ॥ **মাদক-যৌতুক-ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ’কে না বুলন **গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান **আপনার ছেলে-মেয়েকে স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠান **পাখি শিকার নিজে করবেন না অন্যকে করতে দিবেন না **মাদক মুক্ত সোনার বাংলা গড়ি **ইসলাম ধর্মের সবাই নামাজ পড়ি **হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান নিজ ধর্ম পালন করুন **খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকুন। **বিহঙ্গ টিভিতে যোগাযোগর ঠিকানা: ফোন: ০১৫৫৯-৬৩৩০৮০, ই-মেইল: newsbihongotv.com, (সবার জন্য বিহঙ্গ)

ফুলবাড়ীতে বৃদ্ধ দম্পতির করুণ জীবন-যাপন

মোঃআরিফুল ইসলাম, (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:: ভবঘুরে রাস্তাবাসীদের কী হবে?যে সমস্ত পথবাসী মানুষ কয়েক পুরুষ বসবাস করেও নানা কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সমাজে এমন কিছু মানুষ আছে যাদের অস্তিত্ব আছে কিন্তু জায়গা নেই। ওরা আর সব মানুষের মতো নয়, এ বয়সে ওদের কাটতো ছেলে, নাতি, নাতনিদের সাথে কিন্তু তার পরিবর্তে তারা এখন ঘুমায় রাস্তায়, সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের বারান্দায় কিংবা অন্যের বাড়ির গোয়াল ঘরে।

এরকমই একজন ব্যাক্তি হচ্ছেন মোঃআব্দুর রহমান(৭৫), যার সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তাঁর কিছু কাল পূর্বেও অনেক কিছু ছিল। এক ছেলে ও তিন মেয়ে নিয়ে ভালই দিন যাচ্ছিল হটাৎ তিন মেয়ের মৃত্যুর পর এবং নিজের অসুস্থতার কারনে চিকিৎসা করতে গিয়ে সব হারিয়ে অসহায়ের মতো জীবন যাপন করতেছে।

মরার উপর খরার ঘায়ের মতো বিপদ এসে দেখা দেয় তার জীবনে। জীবন সাথি সহধর্মিণীও তাকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে যায়। এমন পরিস্থিতিতে সৃষ্টি কর্তার অশেষ কৃপায়, অবলম্বন হিসেবে কাছে পান তার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছাঃমরিয়ম বেগম(৫৫)।

যিনি দেখাশোনা করেন বৃদ্ধ আব্দুর রহমান কে। এ ভাবে কি জীবন চলে, জীবন চালানোর জন্য তারা বেঁচে নেন ভিক্ষাবৃত্তিকে।

ভিক্ষা করতে করতে তারা চলে আসেন ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে। দিন করে ভিক্ষা করে আর রাত করে নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের বারান্দায় ঘুমায়।

এভাবে তিন বছর ইউনিয়ন পরিষদের বারান্দায় ঘুমায় তারা। এর পর একদিন বুদা নামে এক লোক তার বাড়ীতে আশ্রয় দেয় ওখানে থাকে আার বালারহাট বাজারের বিভিন্ন হোটেলে খায়।এই বাড়িতে প্রায় দুই বছর থাকার পর আর জায়গা হয়নি সেখানে।

এর পর চলে আসেন মোঃরব্বানী, পশ্চিম ফুলমতি ওনার বাড়িতে। কয়েক বছর এখানে থাকার পর নানা কারণে আর থাকা হয়ে উঠেনি। অসহায় এই মানুষ দুটি কি করবে ভাবতে ভাবতে মহৎ ব্যাক্তি মোঃনজু মিয়া তার বাড়ীতে মুরগির খামারে জায়গা দেন।সেখানেই বর্তমানে বসবাস করতেছেন।

এ অসহায় বৃদ্ধের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা যায় উনারা ভিক্ষা করে দিনে প্রায় ১০০/১৩০ টাকা পায় যা দিয়ে কোন রকম দিন যাপন করতেছে।

তিনি বলেন তাদের জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে যাবার কারণে সরকারি বিভিন্ন সুজোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাছে যাবার পরেও কোন কাজে আসেনি।

বৃদ্ধের আক্ষেপ শেষ বয়সে যেখানে আমার একমাত্র ছেলে ও ছেলের বউ শশুর বাড়িতে থাকে একটু খোজ খবরও নেয়না সেখানে দেশ সমাজের কাছে আমি কি বা আসা করতে পারি।

তিনি বলেন সরকার কিছু দিলে খুব ভাল হয় বাহে মেলা মানষের কাছৎ(কাছে) গেছি কাম হয়নাই, আসা ছেড়ে দিছি দেখেন তোমরা কিছু করবার পান নাকি।

এই নিউজটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত,© এই সাইডের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি  
Design & Developed BY ThemeNeed.com